• Calcutta Medical Research Institute 7/2 Diamond Harbour Road Kolkata-700027, West Bengal

ওয়ার্ল্ড নো টোবাকো ডে- তে ধূমপান বর্জনের পরামর্শ

“ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক”-সর্বত্রই সকলে এই পরিচিত বাক্যটি শুনে থাকলেও তামাক জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গেছে যে তামাক বিশ্বব্যাপী ৮ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে । এটি কেবলমাত্র প্রত্যক্ষ ব্যবহারেই মানুষের ক্ষতি এমন নয়, পরোক্ষভাবেও তামাক প্রায় ১.২ মিলিয়ন মানুষের ক্ষতি করেছে।

তামাক একটি ধীরপক্রিয়ার বিষ যা প্রতিদিন ভিতরে থেকে মানুষকে একটু একটু করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তামাক মানুষকে সাময়িক আরাম দেয় তাই মানুষ সহজেই এটির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন। মানুষের তামাকের নেশা করার সময় বুঝতে পারেন না যে তারা নিজেদের ভিতরে এক টাইম বোমা তৈরী করছেন যা কিনা যে কোন মুহূর্তে বিস্ফারিত হয়ে মৃত্যু ঘটাতে পারে। দুর্ভাগ্যবসত মানুষ যখন এটি উপলব্ধি করে তখন অনেক সময় পেরিয়ে গেছে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে।

তামাক মানুষের দেহের ফুসফুস সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। সিএমআরআই-এবং সি কে বিড়লা হসপিটালসের পরামর্শদাতা ড: রঞ্জন দাস জানিয়েছেন যে মহামারী করোনাভাইরাস মানবদেহে প্রবেশের পর শ্বাসতন্ত্রের ওপর প্রথম সরাসরি প্রভাব ফেলে সুতরাং, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধূমপান পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে কারণ শ্বাসযন্ত্রের সরাসরি প্রভাব ফেলে যা মানবদেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাময়িক আরাম পেতে ধূমপান করলে মানব জীবনে ঘনিয়ে আসতে পারে মৃত্যুর কালো ছায়া। যেহেতু লোকেরা ঘরে বসে আছে এই লকডাউনে ধূমপানের হার অনেক বাড়েছে এবং লকডাউন শেষ হওয়ার পরে ছাড়ার মিথ্যা ধারণা নিয়ে ক্ষণিকের মুহুর্তগুলিতে ধূমপান করা বেছে নিয়েছে। এটি এমন একটি বদ অভ্যাস যা পুরো জীবনকে ওলটপালট করে দিতে পারে।

সি কে বিড়লা হসপিটালস – বিএম বিড়লার সিনিয়র পরামর্শদাতা, ডাঃ অঞ্জন সিওটিয়ার বলেছেন যে ধূমপান হার্টের উপর প্রভাব ফেলে হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপ বাড়ায় এবং হার্টের ধমনীতে বাধা সৃষ্টি করে। তাই, তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে মানুষকে ধূমপানের মতো খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে থাকতে এবং হৃদয়কে সুস্থ রাখতে নিয়মিত চেকআপ করার।

তামাকের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় সিগারেটের মধ্যে।’মরতে যখন হবেই সব কিছু উপভোগ করে মরব” -এরকম আচরণ হয় বেশিরভাগ মানুষের।
মানুষ তাদের স্ট্রেস বাস্টার হিসাবে সাময়িক আরাম পেতে ধূমপান করতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে অভ্যেসে পরিণত হয়, আসক্ত হয়ে পড়েন।আর বেড়িয়ে আসতে পারে না এই আসক্তি থেকে এবং ধীর পায়ে এগিয়ে যায় মৃত্যুর
পথে।

মানুষকে এই লকডাউন সময়ে নিজেদের ব্যস্ত রাখতে খেলাধুলা, রান্না করা, সংগীত বা কোনও শখের মতো ক্রিয়েটিভ কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার চেষ্টা করা উচিত। যেকোন সমস্যা বা স্ট্রেস ভাগ করে নেওয়া উচিত, স্ট্রেস বাস্টার হিসাবে তামাকের কাছে ফিরে না যাওয়া সর্বদা সকলের জন্যই অত্যন্ত সমীচীন। সর্বদা মনে রাখতে হবে একজন ব্যক্তিকে কেবল তার নিজের জীবনের জন্যই নয় তার চারপাশের ব্যক্তি, আপনজনদের জন্যও দায়ীত্ববান হতে হবে। সুতরাং, স্মার্ট হন এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করুন। ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

http://www.kolkataprimetime.com/newsDetails/world-no-tobaco_8280

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these <abbr title="HyperText Markup Language">HTML</abbr> tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

*

Hi, How Can We Help You?