• Calcutta Medical Research Institute 7/2 Diamond Harbour Road Kolkata-700027, West Bengal

লকডাউনে কাজের চাপ কমাতে মাঝেমধ্যেই সিগারেটে সুখটান! ক্ষতি হচ্ছে হার্ট ও ফুসফুসের।

স্ট্রেস কমাতে বারবার সিগারেটে টান! ক্ষতি করছেন আপনার হার্ট ও ফুসফুস দু’য়েরই। WHO-এর তথ্য অনুযায়ী ধূমপান ও তামাকসেবন সারা বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৮০ লাখ লোকের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে পরোক্ষভাবে। যাঁরা সরাসরি ধূমপান বা তামাকসেবন করেন, শুধু তাঁদেরই নয়, বরং প্যাসিভ স্মোকাররাও একইভাবে একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত! সাময়িক আরাম দিলেও এই ‘স্লো পয়জ়ন’ ধীরে ধীরে ভিতর থেকে প্রবল ক্ষতি করে। আমরা সকলেই জানি, ধূমপানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ফুসফুসের। আর করোনাভাইরাসে এমনিতেই ফুসফুস আক্রান্ত হয় বেশি! ধূমপান ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, লাং ইনফেকশনের আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে আর রেসপিরেটরি ডিজ়িজ়ের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই। কোভিড ১৯-এ ফুসফুস আক্রান্ত হয়। ফুসফুসের কার্যক্ষমতাই যদি ঠিকঠাক না থাকে, তাহলে তা করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়বে কী করে! ফলে ইমিউনিটি বাড়াতে গেলে ধূমপান বাদ দিতে হবে একেবারে। লকডাউনে ধূমপানের অভ্যেস এমনিতেই বেড়ে গিয়েছে। অনেকেই ভাবছেন লকডাউন উঠে গেলে আবার যখন তাঁরা কাজের মধ্যে ফিরবেন, ধূমপানের মাত্রাও হয়তো কমে যাবে। আবার অনেকে ভাবছেন, ‘কী আর এমন হবে ধূমপান করলে!’ ধূমপানে অভ্যেস হয়ে গেলে তা ছাড়া কঠিন। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় হার্টের রোগীদের। ধূমপানের অভ্যেস হার্ট রেট বাড়িয়ে দেয়, রক্তচাপও বাড়ায়। হার্টের ধমনীতে ব্লকেজের জন্যও দায়ী ধূমপান। আর ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে ব্লাড ক্লটিং বা রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বেশি। সবমিলিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ভয়ও অনেকগুণ বেশি এঁদের ক্ষেত্রে। তবে ধূমপান ছেড়ে দেওয়া মোটেই মুখের কথা নয়। উইথড্রয়াল সিম্পটম হতে পারে। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করুন। তবে একবার যদি এই অভ্যেস ছাড়তে পারেন, তাহলে ২০ মিনিটের মধ্যে হার্ট রেট বাড়বে ও রক্তচাপ কমবে। ১২ ঘণ্টায় ব্লাড স্ট্রিমে কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রাও স্বাভাবিকে নেমে আসবে। ২-১২ সপ্তাহের মধ্যে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও ফিরে আসবে। ১-৯ মাসের মধ্যে শ্বাসকষ্ট কমবে অনেকটাই। নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ট্রাই করতে পারেন ধূমপানের অভ্যেস বদলানোর জন্য। তাই লকডাউনে নিজেকে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রাখুন। রান্না করুন, বাগান করুন, এক্সারসাইজ় করুন। স্ট্রেস কমানোর জন্য সিগারেট খান যাঁরা, তাঁরা বরং নিজেদের স্ট্রেসের কথা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন। প্রয়োজনে প্রফেশনাল হেল্প নিতে পারেন। যোগাসন বা মেডিটেশনও স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। সিগারেট খেতে গেলে যেহেতু হাত ও মুখের মধ্যেও কনট্যাক্ট হতে পারে, ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা সেক্ষেত্রেও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

https://www.sananda.in/#/story?link=151635

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these <abbr title="HyperText Markup Language">HTML</abbr> tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

*

Hi, How Can We Help You?