ওয়ার্ল্ড নো টোবাকো ডে- তে ধূমপান বর্জনের পরামর্শ

“ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক”-সর্বত্রই সকলে এই পরিচিত বাক্যটি শুনে থাকলেও তামাক জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গেছে যে তামাক বিশ্বব্যাপী ৮ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে । এটি কেবলমাত্র প্রত্যক্ষ ব্যবহারেই মানুষের ক্ষতি এমন নয়, পরোক্ষভাবেও তামাক প্রায় ১.২ মিলিয়ন মানুষের ক্ষতি করেছে।

তামাক একটি ধীরপক্রিয়ার বিষ যা প্রতিদিন ভিতরে থেকে মানুষকে একটু একটু করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তামাক মানুষকে সাময়িক আরাম দেয় তাই মানুষ সহজেই এটির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন। মানুষের তামাকের নেশা করার সময় বুঝতে পারেন না যে তারা নিজেদের ভিতরে এক টাইম বোমা তৈরী করছেন যা কিনা যে কোন মুহূর্তে বিস্ফারিত হয়ে মৃত্যু ঘটাতে পারে। দুর্ভাগ্যবসত মানুষ যখন এটি উপলব্ধি করে তখন অনেক সময় পেরিয়ে গেছে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে।

তামাক মানুষের দেহের ফুসফুস সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। সিএমআরআই-এবং সি কে বিড়লা হসপিটালসের পরামর্শদাতা ড: রঞ্জন দাস জানিয়েছেন যে মহামারী করোনাভাইরাস মানবদেহে প্রবেশের পর শ্বাসতন্ত্রের ওপর প্রথম সরাসরি প্রভাব ফেলে সুতরাং, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধূমপান পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে কারণ শ্বাসযন্ত্রের সরাসরি প্রভাব ফেলে যা মানবদেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাময়িক আরাম পেতে ধূমপান করলে মানব জীবনে ঘনিয়ে আসতে পারে মৃত্যুর কালো ছায়া। যেহেতু লোকেরা ঘরে বসে আছে এই লকডাউনে ধূমপানের হার অনেক বাড়েছে এবং লকডাউন শেষ হওয়ার পরে ছাড়ার মিথ্যা ধারণা নিয়ে ক্ষণিকের মুহুর্তগুলিতে ধূমপান করা বেছে নিয়েছে। এটি এমন একটি বদ অভ্যাস যা পুরো জীবনকে ওলটপালট করে দিতে পারে।

সি কে বিড়লা হসপিটালস – বিএম বিড়লার সিনিয়র পরামর্শদাতা, ডাঃ অঞ্জন সিওটিয়ার বলেছেন যে ধূমপান হার্টের উপর প্রভাব ফেলে হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপ বাড়ায় এবং হার্টের ধমনীতে বাধা সৃষ্টি করে। তাই, তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে মানুষকে ধূমপানের মতো খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে থাকতে এবং হৃদয়কে সুস্থ রাখতে নিয়মিত চেকআপ করার।

তামাকের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় সিগারেটের মধ্যে।’মরতে যখন হবেই সব কিছু উপভোগ করে মরব” -এরকম আচরণ হয় বেশিরভাগ মানুষের।
মানুষ তাদের স্ট্রেস বাস্টার হিসাবে সাময়িক আরাম পেতে ধূমপান করতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে অভ্যেসে পরিণত হয়, আসক্ত হয়ে পড়েন।আর বেড়িয়ে আসতে পারে না এই আসক্তি থেকে এবং ধীর পায়ে এগিয়ে যায় মৃত্যুর
পথে।

মানুষকে এই লকডাউন সময়ে নিজেদের ব্যস্ত রাখতে খেলাধুলা, রান্না করা, সংগীত বা কোনও শখের মতো ক্রিয়েটিভ কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার চেষ্টা করা উচিত। যেকোন সমস্যা বা স্ট্রেস ভাগ করে নেওয়া উচিত, স্ট্রেস বাস্টার হিসাবে তামাকের কাছে ফিরে না যাওয়া সর্বদা সকলের জন্যই অত্যন্ত সমীচীন। সর্বদা মনে রাখতে হবে একজন ব্যক্তিকে কেবল তার নিজের জীবনের জন্যই নয় তার চারপাশের ব্যক্তি, আপনজনদের জন্যও দায়ীত্ববান হতে হবে। সুতরাং, স্মার্ট হন এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করুন। ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

http://www.kolkataprimetime.com/newsDetails/world-no-tobaco_8280

World NO TOBACCO DAY 2020: সিগারেটটা আজই ছাড়ুন, অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে!

বিশ্ব তামাক বর্জন দিবস। তামাক ব্যবহারে ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। আর ফুসফুসের ক্যানসারের প্রায় ৭১ শতাংশই হয় তামাক সেবনের জন্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র রিপোর্ট অনুযায়ী পৃথিবীতে তামাক সেবনের ফলে প্রায় ৮ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে যাঁরা নিজেরাই ধূমপান করতেন শুধু তাঁরাই নন, প্যাসিভ স্মোকিংয়ের জেরেও মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১.২ মিলিয়ন মানুষের।

তামাককে এককথায় বলা যায় বিষ, যা ধীরে ধীরে আপনাকে শেষ করে দেয়। সামান্য ও সাময়িক স্বস্তির জন্য মানুষ যেভাবে ধূমপান ও তামাক সেবন করেন তা ভিতর থেকে শরীরের ক্ষয় করে এবং আচমকাই একদিন বোমা বিস্ফোরণের মতো সামনে চলে আসে।

ধূমপানের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ফুসফুসের। কলকাতা শহরের জনপ্রিয় সি কে বিড়লা হাসপাতাল, সিএমআরআই-এর চিকিৎসক রঞ্জন দাস এ নিয়ে তাঁর পরামর্শ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের কালবেলায় আমাদের শরীরে ইমিউনিটি বাড়িয়ে তোলা খুবই প্রয়োজন। ধূমপান সরাসরি শরীরের ক্ষতি করে এবং গোটা শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রণালীকে শেষ করে দেয়। লকডাউনে মানুষের ধূমপানের প্রবণতা বেড়েছে। অনেকেই ভাবছেন হয়তো যে লকডাউন উঠে গেলে আবার ছেড়ে দেব বা কমিয়ে ফেলব। কিন্তু তা কিন্তু হয় না। শরীরের যা ক্ষতি তা হয়েই চলেছে। এতে জীবন একেবারে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।’

সি কে বিড়লা হাসপাতাল, সিএমআরআই-এর আরেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অঞ্জন সিওটিয়ার মতে, ‘ধূমপানের ফলে হার্টেরও ভীষণ ক্ষতি হয়। এর ফলে হার্ট রেট ও রক্তচাপ বেড়ে যায়। ফলে ব্লকেজ দেখা দেয়। অনেক সময় হার্টে রক্তচলাচল বন্ধ হওয়া এবং রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো ঘটনার জন্যও ধূমপান দায়ী। সে কারণে ধূমপান কোনও ভাবেই করা যাবে না। এই অভ্যাস পরিত্যাগ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।’

ধূমপান শুধু যে ফুসফুস, হৃদযন্ত্র বা শ্বাসনালীরই ক্ষতি করে তাই নয়, তা নষ্ট করে দিতে পারে দৃষ্টিশক্তিও। ড্রাই আই-এর মতো অতি পরিচিত চোখের সমস্যা থেকে গ্লকোমা, চোখের বয়সজনিত মাসকুলার ডিসট্রফি- কী নেই সে তালিকায়।

তাই ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আগে বুদ্ধিমানের মতো ধূমপান পরিত্যাগ করুন। কোনওরকম পান-বিড়ি-গুটকা খাওয়াও একেবারে ছেড়ে দিন। ভালো খাবার খান, নিয়মিত শরীরচর্চা করুন, জীবনটাকে উপভোগ করে বাঁচুন। উপভোগ করার অর্থ কখনওই নেশা করা হতে পারে না। আপনার বেঁচে থাকার অন্যতম কারণ খুঁজে বের করে মানুষের উপকার করুন। বাঁচুন ও বাঁচতে দিন।

https://eisamay.indiatimes.com/lifestyle/health-fitness/world-no-tobacco-day-2020-health-above-high-important-tips-from-specialist-doctors-of-kolkata/articleshow/76119137.cms

No Tobacco Day | ক্ষণিকের সুখ ডেকে আনছে চিরস্থায়ী সর্বনাশ!‌ ‌বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি

তথ্য ঘাঁটলে দেখা যাবে, সারা পৃথিবীতে ৮০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে ধূমপানের কারণে। আর প্যাসিভ স্মোকিংয়ের কারণে প্রাণ গিয়েছে ১২ লক্ষ মানুষের।

গণস্বাস্থ্যের উন্নতিতে অন্যতম বাধা ধূমপান। ধূমপানের প্রবণতা দেশের মানুষের শরীরে কুপ্রভাব ফেলে, হাজার সরকারি, বেসরকারি বিজ্ঞাপনেও সেই বার্তা মাথায় ঢুকছে না মানুষের। তার ফলও ভুগছে পৃথিবী। তাই ধূমপান বিরোধী দিবসে নতুন করে সিগারেট ও অন্য তামাকজাত দ্রব্য বর্জনের ডাক দিচ্ছেন অনেকেই। তথ্য ঘাঁটলে দেখা যাবে, সারা পৃথিবীতে ৮০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে ধূমপানের কারণে। আর প্যাসিভ স্মোকিংয়ের কারণে প্রাণ গিয়েছে ১২ লক্ষ মানুষের।

ধূমপান একবারে প্রভাব না ফেললেও ধীরে ধীরে মানুষের শরীরে ক্ষতি করে চলে। ফলে ক্ষণিকের সুখ চিরস্থায়ী অসুখের চেহারা নেয়। অনেকটা টাইম বোমের মতো। ধীরে ধীরে সে বিস্ফোরণের দিকে এগিয়ে যায়। একসময় ফেটে যায়, যখন আর কিছুই করার থাকে না।

CK Birla Hospitals, CMRI–এর চিকিৎসক রঞ্জন দাস সতর্ক করে বলেছেন, ‘‌করোনা সংক্রমণের সময় ফুসফুস জনিত সমস্যাই প্রধান হয়েছে দাঁড়িয়েছে। আর তামাকজাত দ্রব্য সেই ফুসফুসেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। মানুষের শরীরের অন্যতম প্রধান অঙ্গ হিসাবে ফুসফুসের ওপর এই প্রভাব বিস্তারের ফলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। লকডাউনের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘক্ষণ ঘরে থাকা, একাকীত্ব ইত্যাদি কাটাতে ঘনঘন সিগারেট খাচ্ছেন। তাঁরা মনে মনে নিজেকে আশা দিচ্ছেন, লকডাইন উঠে গেলে অভ্যাস ত্যাগ করবেন। যদি ত্যাগ করতে হয়, তাহলে এখনই করা ভাল।’‌

CK Birla Hospitals – BM Birla–এর চিকিৎসক অঞ্জন সিয়োতিয়া বলছেন, ধূমপানের ফলে সরাসরি হৃদযন্ত্রে প্রভাব পড়ে ও রক্তচাপ বাড়ে। হৃদযন্ত্রের ধমনীর পথ এটি বন্ধ করে দেয়। এমনকি রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো সমস্যাও অত্যাধিক ধূমপানের ফলে দেখা দেয়। সব মিলিয়ে এগুলি মানু্ষের শরীরে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।’‌

তামাকজাত দ্রব্যের মধ্যে সিগারেট সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। অনেকেই বলেন, কাজের চাপ থেকে মাঝে মাঝে মানসিক আরাম পেতে সাহায্য করে সিগারেট। অনেকে বলেন, ‘‌মৃত্যু তো হবেই, যেকদিন বাঁচি, আনন্দে বাঁচি।’‌ কিন্তু এসব ছেঁদো কথায় বৃহত্তর সত্যকে আড়াল করা যায় না। সাময়িক আনন্দ পেতে যাঁরা ধূমপান করছেন, তাঁদের হয়ত এক ভয়াল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, যা তাঁরা জানেন না।

https://bengali.news18.com/news/life-style/health-no-tobacco-day-temporary-happiness-leading-toward-fatal-death-increasing-corona-infection-risk-ub-456499.html

লকডাউনে কাজের চাপ কমাতে মাঝেমধ্যেই সিগারেটে সুখটান! ক্ষতি হচ্ছে হার্ট ও ফুসফুসের।

স্ট্রেস কমাতে বারবার সিগারেটে টান! ক্ষতি করছেন আপনার হার্ট ও ফুসফুস দু’য়েরই। WHO-এর তথ্য অনুযায়ী ধূমপান ও তামাকসেবন সারা বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৮০ লাখ লোকের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে পরোক্ষভাবে। যাঁরা সরাসরি ধূমপান বা তামাকসেবন করেন, শুধু তাঁদেরই নয়, বরং প্যাসিভ স্মোকাররাও একইভাবে একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত! সাময়িক আরাম দিলেও এই ‘স্লো পয়জ়ন’ ধীরে ধীরে ভিতর থেকে প্রবল ক্ষতি করে। আমরা সকলেই জানি, ধূমপানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ফুসফুসের। আর করোনাভাইরাসে এমনিতেই ফুসফুস আক্রান্ত হয় বেশি! ধূমপান ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, লাং ইনফেকশনের আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে আর রেসপিরেটরি ডিজ়িজ়ের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই। কোভিড ১৯-এ ফুসফুস আক্রান্ত হয়। ফুসফুসের কার্যক্ষমতাই যদি ঠিকঠাক না থাকে, তাহলে তা করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়বে কী করে! ফলে ইমিউনিটি বাড়াতে গেলে ধূমপান বাদ দিতে হবে একেবারে। লকডাউনে ধূমপানের অভ্যেস এমনিতেই বেড়ে গিয়েছে। অনেকেই ভাবছেন লকডাউন উঠে গেলে আবার যখন তাঁরা কাজের মধ্যে ফিরবেন, ধূমপানের মাত্রাও হয়তো কমে যাবে। আবার অনেকে ভাবছেন, ‘কী আর এমন হবে ধূমপান করলে!’ ধূমপানে অভ্যেস হয়ে গেলে তা ছাড়া কঠিন। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় হার্টের রোগীদের। ধূমপানের অভ্যেস হার্ট রেট বাড়িয়ে দেয়, রক্তচাপও বাড়ায়। হার্টের ধমনীতে ব্লকেজের জন্যও দায়ী ধূমপান। আর ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে ব্লাড ক্লটিং বা রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বেশি। সবমিলিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ভয়ও অনেকগুণ বেশি এঁদের ক্ষেত্রে। তবে ধূমপান ছেড়ে দেওয়া মোটেই মুখের কথা নয়। উইথড্রয়াল সিম্পটম হতে পারে। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করুন। তবে একবার যদি এই অভ্যেস ছাড়তে পারেন, তাহলে ২০ মিনিটের মধ্যে হার্ট রেট বাড়বে ও রক্তচাপ কমবে। ১২ ঘণ্টায় ব্লাড স্ট্রিমে কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রাও স্বাভাবিকে নেমে আসবে। ২-১২ সপ্তাহের মধ্যে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও ফিরে আসবে। ১-৯ মাসের মধ্যে শ্বাসকষ্ট কমবে অনেকটাই। নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ট্রাই করতে পারেন ধূমপানের অভ্যেস বদলানোর জন্য। তাই লকডাউনে নিজেকে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রাখুন। রান্না করুন, বাগান করুন, এক্সারসাইজ় করুন। স্ট্রেস কমানোর জন্য সিগারেট খান যাঁরা, তাঁরা বরং নিজেদের স্ট্রেসের কথা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন। প্রয়োজনে প্রফেশনাল হেল্প নিতে পারেন। যোগাসন বা মেডিটেশনও স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। সিগারেট খেতে গেলে যেহেতু হাত ও মুখের মধ্যেও কনট্যাক্ট হতে পারে, ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা সেক্ষেত্রেও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

https://www.sananda.in/#/story?link=151635
Hi, How Can We Help You?